“হারিয়ে গিয়েছি, এইতো জরুরি খবর
অবাক দুই চোখে, ছায়া কাঁপে ভয় অভিমানে
হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই এখানে
হারাবো বলে, পা টিপে এগুতে গেলে
গোটা শহর বাতি জ্বেলে সতর্ক
পায়ে পায়ে হারাবার জায়গা খুজে মরি
গোটা শহর বাতি জ্বেলে সতর্ক
পায়ে পায়ে হারাবার জায়গা খুজে মরি…”
—–সাহানা বাজপেয়ী
# হারানোর ইচ্ছেটা আমাদের ভেতরের কোন গহীন অন্দরে জন্মগতভাবেই হয়তো লুকোনো থাকে। আমরা সেকারণেই হয়তো হারাতে চাই। গতকাল সকালে আরেকটি ১০০ কি:মি: সাইকেল রাইডে গিয়েছিলাম। হাত ভাঙার পর অনেকদিন ঠিক করে প্যাডেলিং করতে পারি নি। গতকাল তাই বেরিয়ে পড়েছিলাম। ঢাকা থেকে কেরানীগঞ্জ, মাওয়া, শ্রীনগর, লৌহজং, টঙ্গিবাড়ি, মুক্তারপুর হয়ে আমার সহযাত্রীরা ঢাকা ফিরেছে। আমি মুক্তারপুর থেকে মুন্সীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জের চর, মেঘনা পার হয়ে কুমিল্লার মাথা ছুঁয়েছিলাম। আমার বাড়ির পাশ দিয়েই গিয়েছে কুমিল্লা। সুন্দর একটা রাইড ছিলো। বেশিরভাগ সময় হাইওয়ে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি। আমার কাছে এটা ছিলো ভবিষ্যৎ কোন এক ক্রস কান্ট্রি রাইডের প্রস্তুতি। গ্রামীন রাস্তায় সাইকেলে মাইলের পর মাইল পারি দিতে গিয়ে মনে হচ্ছিলো, জীবন আটকে গেছে এই দু’চাকার বাহনে। প্রচন্ড গরমে খানিক বিরতিতে গোসল করে নিয়েছি গ্রামের এক এঁদো পুুকুরে। অনেকদিন পর সাতার কাটার সুযোগ হলো। ধন্যবাদ আমার সহযাত্রী সবাইকে। ধন্যবাদ প্রভাত ভাইকে । আপনি না থাকলে হয়তো বারবার ১০০ কি:মি রাইডের সাহস করা হতো না। । কৃতজ্ঞতা Niaz ভাইকে, সাইকেলে দেশ ভ্রমণের ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ভাবতে শেখানোর জন্য। কৃতজ্ঞতা Rezoan ভাই, Rohan ভাই এবংSifat ভাইকে। আপনাদের কাছে প্যাডেল করতে শিখেছি। কৃতজ্ঞতাBDCyclists এর জন্য। আমাদের মতো অসংখ্য মানুষকে অনুপ্রানিত করার জন্য। কৃতজ্ঞতা অন্তরা জাহান কে, আমাকে সবসময় সাপোর্ট করার জন্য। ভালো থাকুক সবাই।
1 thought on “১০০ কি:মি: রাইড এবং একটি ক্রস কান্ট্রি রাইডের প্রস্তুতি”